Through the APAC Cybersecurity Fund, local entrepreneurs, nonprofits, and educators are gaining practical cyber-safety skills. Their stories highlight real change — from protecting community data to promoting a culture of digital responsibility.
“আমি ভিয়েতনামের কন তুমে ডাটো পরিচালনা করি, যেখানে আমরা ৫০০-র বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবারের সঙ্গে মসলা ও ঔষধি গাছ উৎপাদনে কাজ করি। শুরুতে আমি ভাবতাম সাইবার নিরাপত্তা শুধুমাত্র বড় কোম্পানির জন্য—আমার মনোযোগ ছিল শুধু মার্কেটিং-এর জন্য ডিজিটাল টুল শেখায়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক তথ্য প্রায় হারিয়ে ফেলতে বসে আমি ঝুঁকিপূর্ণ বোধ করি। ACF প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার পর বুঝলাম ছোট ভুলও আমাদের ব্যবসা ও অংশীদার পরিবারগুলোর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। আমি শিখেছি ফিশিং চিহ্নিত করা, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করা এবং টিমের জন্য নিরাপদ ফাইল শেয়ারিং পদ্ধতি ব্যবহার করা। এতে আমাদের ব্যবসার নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়েছে, এবং আমি আমার টিমকে এসব শেখাতে অভ্যন্তরীণ সেশনও নিয়েছি। আজ আমি সাইবার নিরাপত্তাকে আমাদের উন্নতি ও স্থায়িত্বের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখি—যা আমাদের ডিজিটাল অর্থনীতিতে নিরাপদে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে।”
“আমি খুলনার একটি ছোট ব্যবসা, জিহাদ স্টোর পরিচালনা করি। যোগাযোগের জন্য আমি Gmail এবং পেমেন্টের জন্য bKash ব্যবহার করতাম, কিন্তু দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে আমার অ্যাকাউন্ট কতটা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তা জানতাম না। যখন অনলাইন ব্যবসা বাড়াতে শুরু করলাম, তখন এই ঝুঁকি আমাকে চিন্তিত করত। APAC Cybersecurity Fund প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার পর বুঝলাম সাইবার নিরাপত্তা শুধু বড় কোম্পানির জন্য নয়—আমাদের মতো উদ্যোক্তাদের জন্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমি শক্তিশালী এবং ইউনিক পাসওয়ার্ড তৈরি করা এবং টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করা শিখেছি। এই সহজ পদক্ষেপগুলো আমাকে আমার ডিজিটাল টুলগুলো নিরাপদে ব্যবহার করার আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। এরপর থেকে আমি আমার কমিউনিটির অন্যান্য নারীদেরও শেখাচ্ছি কীভাবে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে হয় এবং প্রতারণা এড়াতে হয়। আজ সত্যিই বলতে পারি, এই প্রশিক্ষণ আমাকে মানসিক শান্তি দিয়েছে এবং আমি নিশ্চিন্তে আমার ব্যবসায় মন দিতে পারছি।”
“আমি রাজশাহীতে একটি ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করি। একদিন আমাকে ফোন করে বলা হয় যে আমি নাকি একটি বড় নগদ পুরস্কার জিতেছি, এবং ‘ব্যাংক কর্মকর্তা’ আমার মোবাইল ওয়ালেটের PIN চাইলো পুরস্কারটি প্রক্রিয়া করার জন্য। প্রথমে আমি উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম, কিন্তু পরে কিছুটা সন্দেহ হয় এবং PIN দেওয়ার আগে নিজেকে থামিয়ে দিই। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল এবং বুঝিয়েছিল যে প্রতারণা কত সহজে মানুষকে ধোঁকা দিতে পারে। APAC Cybersecurity Fund প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার পর আমি শিখেছি কীভাবে এসব প্রতারণা কাজ করে এবং কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হয়। আমি শিখেছি ফিশিং কল চিনতে, সন্দেহজনক নম্বর ব্লক করতে এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে আমার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে। তারপর থেকে আমি আমার কমিউনিটির অন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এসব শিখিয়ে দিচ্ছি যাতে তারাও একই ফাঁদে না পড়ে। এই প্রশিক্ষণ আমার জন্য সত্যিকারের একটি টার্নিং পয়েন্ট হয়েছে, যা আমাকে নির্ভয়ে অনলাইন ব্যবসা চালানোর আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।”